
হবি:অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ ও টেকক্রাঞ্চ।
কিবোর্ডে টাইপ না করে কথা বলেই লেখা তৈরির অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে নতুন সুবিধা আনছে গুগল। জিবোর্ডে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত ভয়েস টাইপিং ফিচার। এতে ব্যবহারকারীর বলা কথা আরও স্বাভাবিক ও নির্ভুলভাবে লেখায় রূপান্তর হবে। একই সঙ্গে আলাদা ডিক্টেশন অ্যাপের বাজারে প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে।
নতুন এই ফিচারের অন্যতম সুবিধা হলো, মাঝপথে বলা সংশোধনও বুঝে নেওয়া। যেমন কেউ যদি বলে, “আমি বুধবার বিকেল তিনটায় কফি শপে দেখা করব… আচ্ছা, দুইটায়”, তাহলে সঠিক সময়টাই লেখায় আসবে।
এছাড়া কথা বলার সময় ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় শব্দ যেমন “উম” বা “আহ” স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দিয়ে পরিষ্কার ও পরিপাটি লেখা তৈরি করবে এই প্রযুক্তি।
অ্যান্ড্রয়েড কোর এক্সপেরিয়েন্স বিভাগের পরিচালক বেন গ্রিনউড বলেন, এই প্রযুক্তিতে ডিভাইসের ভেতরের প্রসেসিং ও ক্লাউডভিত্তিক প্রযুক্তির সমন্বয় ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
গত কয়েক বছরে উইসপ্রো ফ্লো, উইলো, সুপারউইস্পার, মনোলগ, হ্যান্ডি ও টাইপলেসের মতো একাধিক ডিক্টেশন অ্যাপ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এসব অ্যাপের বেশির ভাগই ডেস্কটপ ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে সীমিত ছিল। অ্যান্ড্রয়েডে এতদিন বড় কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।
এর আগে গুগল আইওএসে অফলাইন ডিক্টেশন অ্যাপ চালু করেছিল, যা অন-ডিভাইস জেমা মডেল ব্যবহার করে কাজ করে।
নতুন র্যাম্বলার ফিচারটি প্রথমে নির্দিষ্ট কিছু স্যামসাং গ্যালাক্সি ও পিক্সেল ফোনে চালু হবে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসেও এটি পাওয়া যাবে।
ফলে আলাদা ডিক্টেশন অ্যাপগুলোকে এখন আরও উন্নত নির্ভুলতা, বাড়তি সুবিধা এবং শক্তিশালী গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দিয়ে টিকে থাকার লড়াই করতে হবে।