১২ই মে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট হবে

শেয়ার করুন

ছবি :সংগৃহীত

৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন ৩০০ সাধারণ আসনের ভিত্তিতে ভাগ করা হয় আইন অনুসারে । কোনো দল বা জোট কত আসন পেয়েছে তার অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারণ হয়। এ হিসেবে বিএনপি পাবে ৩৬টি আসন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১২টি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোট করলে ২টি আসন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি আসন পাবে। তবে ছোট দলগুলো জোট না করলে কোনো আসন পাবে না
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। এ লক্ষ্যে আগামী ৮ এপ্রিল পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ আজ ১১তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনে পৌনে তিন ঘণ্টা ধরে নির্বাচন নিয়ে সভা হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটকে সামনে রেখে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদেকে প্রথমে চিঠি দেয় ইসি। সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে কি-না, সেই বিষয়ে ইসিকে সিদ্ধান্ত জানাতে হয়। এ সময়সীমা গতকাল শেষ হয়।

তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সদস্যরা জোটগত অবস্থান সম্পর্কে কমিশনকে চিঠি দিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করে বলে জানিয়েছে ইসি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামসহ সরকারিভাবে ফলাফল প্রকাশ করে ইসি। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টিসহ ৫০টি দল নির্বাচনে অংশ নেয়। এর মধ্যে মাত্র ৯টি দল আসন পায়। জাতীয় পার্টিসহ বাকি ৪১টি দল কোনো আসন পায়নি।

আইন অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন ৩০০ সাধারণ আসনের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়। কোনো দল বা জোট কত আসন পেয়েছে তার অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারণ হয়। এ হিসেবে বিএনপি পাবে ৩৬টি আসন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১২টি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোট করলে ২টি আসন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি আসন পাবে। তবে ছোট দলগুলো জোট না করলে কোনো আসন পাবে না।

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন-২০০৪ অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। এ আইন অনুযায়ী মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার ও ভোটের তারিখ নির্ধারণে কমিশনকে বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়। এছাড়া গেজেট প্রকাশের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে দল ও জোটভিত্তিক সদস্যদের পৃথক তালিকা প্রস্তুত করতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *