ইট ভাটায় কোন ভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

শেয়ার করুন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

ঢাকা, ৩১ আষাঢ় (১৫ জুলাই ২০২৬ খ্রি.):
ইট ভাটায় জ্বালানী হিসেবে কোন ভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না বলে সতর্ক করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, এমপি।

আজ (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (BBMOA) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। ইটভাটা শিল্পের পরিবেশগত প্রভাব, বায়ুমান ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার উদ্দেশ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ইটের বিকল্প এখনো পুরোপুরি তৈরি হয় নি। তাই ইট ভাটা বন্ধ না করে, কিভাবে ইট ভাটা থেকে সৃষ্ট দূষণ কমানো যায় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূষণ কমাতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ইট বানাতে জমির উপরিভাগের মাটি (top soil) ব্যবহার করা হলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। এর ফলে আবাদযোগ্য জমির পরিমান দিন দিন কমছে। এর বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি বলেন, অবৈধ ইট ভাটার বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। উচ্চ মাত্রার সালফার সমৃদ্ধ কয়লা ইট ভাটায় ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষিত করে। তাই কয়লা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর গুনগত মানের নীতিমালা করা জরুরী বলে মন্তব্য করেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান এবং মহাসচিব মমিন উল্লাখানের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন জেলার উপদেষ্টা ও সহ-সভাপতিসহ একটি প্রতিনিধি দল সভায় অংশ নেন।

সভায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে ইট উৎপাদন এবং পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দও তাদের বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তাদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো: সাইদুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: লুৎফর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *