
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন ব্যবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধানসহ সব শিক্ষক ও কর্মচারীকে একটি সমন্বিত সফটওয়্যারের আওতায় এনে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমান। এছাড়া যুগ্মসচিব মো. হেলালুজ্জামান সরকার, উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপপরিচালক ইউনুছ ফারুকীসহ টেলিটকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, এতদিন অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও কর্মচারীরা বদলি ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরও নিয়মিত বদলি কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। এ জন্য বিদ্যমান সফটওয়্যার হালনাগাদ করতে হবে এবং সংশোধিত বদলি নীতিমালাও দ্রুত প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া সফটওয়্যারে নতুন ফিচার যুক্ত করতে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন চুক্তি করার প্রয়োজন হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে।
নীতিমালা জারি হওয়ার পর টেলিটকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে সফটওয়্যার আপডেটের কাজ শুরু হবে। এরপরই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান থেকে শুরু করে অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের বদলি কার্যক্রম নতুন পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।