ওয়ালটনের তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা ৬৪২.৯৪ কোটি টাকা, নগদ প্রবাহে বড় উন্নতি

শেয়ার করুন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ৬৪২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা মুনাফা করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা কিছুটা কমেছে। তবে মোট রাজস্ব বৃদ্ধি সত্ত্বেও ভ্যাট বৃদ্ধির কারণে এই মুনাফা হ্রাস পেয়েছে।
তবে ইতিবাচক দিক হলো—এই সময়ে কোম্পানির পরিচালন নগদ প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, যা আর্থিক সক্ষমতার দিক থেকে বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদনটি ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫১তম সভায় পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল মাত্র ১ টাকা ৬৭ পয়সা। গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের হার বৃদ্ধি এবং কার্যকর সম্পদ ব্যবস্থাপনার কারণে এই উন্নতি হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা না বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ নগদ সংগ্রহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। যদিও ভ্যাট হার বৃদ্ধি এবং অন্যান্য করের কারণে সরকারের কোষাগারে কর প্রদান বেড়েছে, তবুও কার্যকর মূলধন ব্যবস্থাপনায় তারল্য পরিস্থিতি শক্তিশালী রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ফ্রিজ ও এয়ার কন্ডিশনারসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট দ্বিগুণ (৭.৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ) হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তবে গ্রাহকদের সুবিধা বিবেচনায় পণ্যের দাম বাড়ানো হয়নি।
তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২০ টাকা ৯০ পয়সা।
এছাড়া, শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (NAVPS) বেড়ে হয়েছে ২৬৫ টাকা ৭০ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়নসহ ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সা।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, বাজারের নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং কৌশলগত উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে মুনাফা ও আর্থিক সূচকে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *