ঢাকা জুরাইনে বিক্রমপুর প্লাজায় কেনাকাটায় মহা উৎসব

শেয়ার করুন

ছবি সকালের নিউজ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মঙ্গলবার একুশে এপ্রিল  দেখা গেছে জনসমুদ্র। ওই এলাকার বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের প্রধান ভরসাস্থল মার্কেট হচ্ছে বিক্রমপুর প্লাজা, বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেট, এখন কেনাকাটার মহা-ব্যস্ততায় মুখর।
সকালের মিঠে রোদ থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত প্রিয়জনদের জন্য সেরা উপহারটি বেছে নিতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন সব বয়সী মানুষ। বড় বড় শোরুমের আলোকসজ্জা থেকে শুরু করে ফুটপাতের ছোট দোকান, সবখানেই এখন তিল ধারণের জায়গা নেই। সাধ্যের মধ্যে বৈচিত্র্যময় পণ্য পাওয়ার নিশ্চয়তাই এই এলাকাটিকে বরাবরের মতো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখেছে।
চলতি বছর ঈদের সময়টিতে তীব্র গরম থাকার সম্ভাবনা থাকায় ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের পছন্দে এসেছে বড় পরিবর্তন। জাঁকজমকপূর্ণ বা ভারি কাজের পোশাকের চেয়ে এবার আরামদায়ক সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দিচ্ছেন সবাই।
নিউ মার্কেটের অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, নারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সুতি থ্রি-পিস, তাঁতের শাড়ি এবং জামদানি প্রিন্টের হাফ সিল্ক। এসব পোশাকের দাম মানভেদে ১,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকার মধ্যে হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই থাকছে।

আশা বেগমের মতো অনেক ক্রেতাই জানালেন, এবার আবহাওয়া তপ্ত হওয়ায় সূতি কাপড়ের খোঁজ করছেন, যদিও কালেকশন ভালো হওয়ায় দাম কিছুটা চড়া বলে মনে হচ্ছে অনেকের কাছে।
ঈদের কেনাকাটা কেবল নারীদের পোশাকে সীমাবদ্ধ নেই, বরং সমান তালে জমজমাট হয়ে উঠেছে ছেলেদের পাঞ্জাবির বাজারও। বিভিন্ন কারুকাজের সুতি ও সিল্কের পাঞ্জাবির পাশাপাশি প্যান্ট-শার্টের দোকানগুলোতেও এখন উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতা, বেল্ট, টুপি এবং আতর কেনার ধুম পড়েছে চারদিকে।
ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের বেচাবিক্রি বেশ চাঙ্গা। উৎসবের এই প্রাণচাঞ্চল্য ঈদের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে ব্যবসায়িক মন্দা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করছেন।
সব মিলিয়ে ধুলোবালি আর ভিড় ঠেলে কাঙ্ক্ষিত পোশাকটি হাতে পাওয়ার তৃপ্তিতেই এখন বিভোর রাজধানীর অগণিত মানুষ। ঈদের সময় যত কাছে আসবে ততই বেচা বিক্রি বাড়বে বলে দোকানিরা আশা করছেন।

আর কিছুদিন পরে শুরু হবে গরু ছাগলের হাট, তখন সবাই কুরবানী কেনার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বেন।এইজন্য এখন তারা কাপড় কেনাকাটা করে নিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *