
ছবি :সংগৃহীত
ঢাকা: তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও কারখানা স্থানান্তর সংক্রান্ত খাতে প্রায় ৭১৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। কোম্পানির অডিটর জানিয়েছেন, এর মধ্যে ৩৭৫ কোটি টাকা এসেছে স্থায়ী সম্পদের মূল্যহ্রাস (ফিক্সড অ্যাসেট ইমপেয়ারমেন্ট) থেকে।
২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে অডিটর উল্লেখ করেছেন, এসব ঘটনার ফলে বছরে কোম্পানির কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে।
গত বছরের জুনে সুপ্রিম কোর্ট জমির লিজ নবায়নের আবেদন খারিজ করলে ঢাকার কারখানার কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বিএটি বাংলাদেশ। পরে কোম্পানিটি তাদের প্রধান কার্যালয় মহাখালী ডিওএইচএস থেকে সাভারের আশুলিয়ায় স্থানান্তর করে।
এ সময় সাভার কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ২৯৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেয় কোম্পানিটি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ঢাকা কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে প্ল্যান্ট, যন্ত্রপাতি ও সিগারেট উৎপাদন সরঞ্জাম সাভার কারখানায় স্থানান্তর করা হয়।
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক কারখানা বন্ধ, স্থানান্তর ও পুনর্গঠনের কারণে পরিচালন মুনাফায় এককালীন প্রায় ৭১৫ কোটি টাকার প্রভাব পড়েছে।
এদিকে ২০২৫ সালের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটি ১৩৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। পুরো বছরে কোম্পানির প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০.৮১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৬৭ শতাংশ কম