FIFA World Cup 26 Edition
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর FIFA World Cup 2026-এর উন্মাদনাকে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দিতে গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে Lenovo Yoga Slim 7i Ultra FIFA World Cup 26 Edition (83QK007HIN)।
সীমিত সংস্করণের এই বিশেষ ল্যাপটপটি প্রিমিয়াম ডিজাইন, অত্যাধুনিক এআই সক্ষমতা এবং FIFA World Cup 26-এর এক্সক্লুসিভ থিমের সমন্বয়ে তৈরি। বিশ্বকাপ-অনুপ্রাণিত বিশেষ ব্র্যান্ডিং ও স্বতন্ত্র ডিজাইনের কারণে এটি শুধু একটি প্রিমিয়াম ল্যাপটপই নয়, বরং প্রযুক্তিপ্রেমী ফুটবল ভক্তদের জন্য একটি সংগ্রহযোগ্য ডিভাইস হিসেবেও বিবেচিত হবে।
ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের প্রতিটা ম্যাচ আরও প্রানবন্তভাবে দেখার জন্য এতে রয়েছে ১৪ ইঞ্চির ২.৮কে POLED টাচ ডিসপ্লে, যা ১২০হার্জ রিফ্রেশ রেট, ১০০% DCI-P3 কালার গ্যামট এবং Dolby Vision প্রযুক্তি সমর্থন করে। এছাড়া W Atmos সমর্থিত স্পিকার এবং প্রিমিয়াম আল্ট্রা-স্লিম ডিজাইন ল্যাপটপটিকে আধুনিক পেশাজীবী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও প্রযুক্তিপ্রেমী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
ওয়ার্ল্ড কাপ এডিশনের বিশেষ এই ল্যাপটপে ব্যবহার করা হয়েছে Intel Core Ultra 7 355 প্রসেসর। তাছাড়া সমন্বিত NPU সমৃদ্ধ এই Copilot+ PC সর্বোচ্চ ৮৯ TOPS এআই পারফরম্যান্স প্রদান করতে সক্ষম, যা অন-ডিভাইস এআই অভিজ্ঞতা, কনটেন্ট ক্রিয়েশন এবং দৈনন্দিন প্রোডাক্টিভিটি আরও দ্রুত ও স্মুথ করে তুলবে। পাশাপাশি ৩২জিবি LPDDR5X র্যাম এবং ১টেরাবাইট PCIe Gen 4 SSD উচ্চগতির ও নির্ভরযোগ্য কম্পিউটিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য যে, লেনোভো বিশ্বের এক নম্বর পিসি বিক্রেতা ব্র্যান্ড এবং গত ৩ বছর ধরে এটি বাংলাদেশেও এক নম্বর পিসি বিক্রেতা ব্র্যান্ড হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং ফুটবল উন্মাদনার এক অনন্য সমন্বয়ে তৈরি ওয়ার্ল্ড কাপ এডিশনের এই ল্যাপটপ টি এখন গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ব্রাঞ্চ এবং অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টসমূহে পাওয়া যাচ্ছে।
এছাড়া ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লরঁ ব্লাঁ সেমিফাইনালে লাল কার্ড পাওয়ায় ফাইনালে খেলতে পারেননি। অন্যদিকে ১৯৯০ বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনালে হলুদ কার্ড পাওয়ার পর সম্ভাব্য ফাইনাল মিস করার আশঙ্কায় ইংল্যান্ডের পল গ্যাসকয়েনের কান্না বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দৃশ্য হয়ে আছে।
বিশ্বকাপে সাসপেনশনের নিয়ম কী?
সরাসরি লাল কার্ড অথবা একই ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড থেকে লাল কার্ড পেলে খেলোয়াড়কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।
গুরুতর অপরাধ, বিশেষ করে সহিংস আচরণের ক্ষেত্রে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি অতিরিক্ত শাস্তি দিতে পারে।
কোনো দলের টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেলে অবশিষ্ট সাসপেনশন তাদের পরবর্তী অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক ম্যাচে বহাল থাকে।
আলাদা দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে খেলোয়াড় পরবর্তী ম্যাচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ হন।
২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন ‘অ্যামনেস্টি’ ব্যবস্থা
বর্ধিত ফরম্যাটের কারণে ফিফা এবার দুটি ‘অ্যামনেস্টি’ বা কার্ড মওকুফ ব্যবস্থা চালু করেছে।
গ্রুপ পর্বে পাওয়া একক হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরু হওয়ার আগে মুছে যাবে।
রাউন্ড অব ৩২, রাউন্ড অব ১৬ এবং কোয়ার্টার ফাইনালে পাওয়া একক হলুদ কার্ড শেষ আটের খেলা শেষে বাতিল হয়ে যাবে।
