বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ ছয় জেলায়

শেয়ার করুন


ছবি: সকালের নিউজ

দেশে ৬ জেলার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই তাপপ্রবাহ আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকার পাশাপাশি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বিরাজমান রয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী পাঁচ দিনের এই পূর্বাভাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হবে না।
প্রথম ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি বাড়তে পারে। এছাড়া রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে ও অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানানো হয় পূর্বাভাসে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা বিশ্লেষণ করে জানানো হয়েছে, এই সময়ের শেষ দিকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও গরমের দাপট এখনই কমছে না। মূলত পশ্চিমা লঘুচাপ ও বঙ্গোপসাগরের পরিস্থিতির কারণে দেশের কোথাও কোথাও কালবৈশাখী ঝড়ের মতো আবহাওয়া তৈরি হতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে গরমের অস্বস্তি বজায় থাকার পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকবে।
আজ সকালে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭.৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় নামমাত্র বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হলেও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *