সীমান্ত পাহারায় নতুন যুগ, বসছে অত্যাধুনিক লেজার ওয়াল

শেয়ার করুন

ছবি: সংগৃহীত।

রাতের অন্ধকারে বর্ডার পার হওয়ার দিন চিরতরে শেষ! বাংলাদেশ সীমান্তে বসছে অদৃশ্য লেজার ওয়াল, বাঁচবে বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা!

রাতের অন্ধকার, ঘন কুয়াশা কিংবা দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে দালালরা প্রতিদিন আমাদের বর্ডার দিয়ে রোহিঙ্গা ঢোকাচ্ছে। ভারত থেকে পুশ-ইন করা হচ্ছে মানুষ। আর সোনা, মাদক ও গরুর চোরাচালানে বছরে দেশের ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকা!

কিন্তু বর্ডার সিন্ডিকেটের দিন শেষ!
বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে এখন বসানো হচ্ছে অত্যাধুনিক ইনফ্রারেড লেজার ও থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম। যেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যায় না (যেমন নাফ নদী বা পাহাড়), সেখানে কাজ করবে এই অদৃশ্য লেজার দেয়াল!

কীভাবে কাজ করবে এই জাদুকরী প্রযুক্তি?
৫ কিমি দূর থেকে স্ক্যানিং: থার্মাল ক্যামেরা ঘুটঘুটে অন্ধকারে বা কুয়াশার মধ্যেও মানুষের শরীরের তাপমাত্রা চিনে ৫ কিলোমিটার দূর থেকে পরিষ্কার ছবি স্ক্রিনে ভাসিয়ে তুলবে!
স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট: মাটির নিচে ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং ওপরে লেজার রশ্মি থাকবে। কোনো দালাল বা পাচারকারী এই অদৃশ্য রেখা পার হলেই জিপিএস (GPS) লোকেশনসহ স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট চলে যাবে বিজিবির (BGB) কন্ট্রোল রুমে!
এআই (AI) ড্রোন: দুর্গম পাহাড়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ড্রোন। পাচারকারী দেখলেই লাইভ ভিডিও পাঠাবে ক্যাম্পে।

টেকনাফ, উখিয়া, বান্দরবান এবং যশোরের মতো হটস্পটগুলোতে এই প্রযুক্তি কাজ শুরু করলে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকার ডলার সাশ্রয় হবে এবং হুন্ডি সিন্ডিকেট ধ্বংস হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *