
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগে নার্সিংদী সেমিনারে লিড ব্যাংক হিসেবে নেতৃত্ব দিল ব্যাংক এশিয়া
‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নার্সিংদীতে দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বিষয়ক একটি সেমিনারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে লিড ব্যাংক হিসেবে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণ ও আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নার্সিংদীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, গ্রাহক, ব্যাংকার, এমএফএস প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসার ঘটানো।
অনুষ্ঠানে র্যালি, উপস্থাপনা, সেমিনার, উন্মুক্ত আলোচনা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলা কিউআরসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সুবিধা তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে নগদ লেনদেন থেকে ডিজিটাল লেনদেনে রূপান্তরকে উৎসাহিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জনাব আরিফ হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নার্সিংদীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবদুল্লাহ আল-ফারুক এবং ব্যাংক এশিয়া পিএলসি’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মির্জা আজহার আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর পরিচালক জনাব এ.এন.এম. মইনুল কবির।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগের ওপর বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। এছাড়া অতিথিদের বক্তব্য এবং অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচিত স্থানে বাংলা কিউআর লিফলেট বিতরণ, ব্যানার প্রদর্শন এবং কিউআর পেমেন্টে বিশেষ ছাড়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়।
বাংলা কিউআর ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদ ও সহজ লেনদেনের সুবিধাগুলো বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, যা দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ, নার্সিংদীর বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক এমএফএস প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
লিড ব্যাংক হিসেবে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি’র এই নেতৃত্ব দেশের ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।