প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে গত ০৯.০৫.২০২৬ তারিখে সকাল ৬.৪৫ মিনিটে মেট্রো ঢাকা বিক্রয় বিভাগ-১ এর আতাধীন ক্যাপটিভ পাওয়ার শ্রেনির গ্রাহক মের্সাস আলিজান স্টীল ইন্ডাস্ট্রি-২, (গ্রাহক সংকেত-৮-০৭-০০০২৪৭), প্লট নং-২১, রোড নং-১০, শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকা এর আংগিনায় ভিজিল্যান্স ডিভিশন হতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশগ্রহণকারী টিম গ্রাহকের আরএমএস সংলগ্ন গেইট বন্ধ থাকায় দক্ষিন পার্শ্বের গেইট দিয়ে প্রবেশ করে জেনারেটর রুম ও কন্ট্রোল রুম পার হয়ে আরএমএস রুমের সম্মুখে গমন করে। বিদ্যমান ০৩ (তিন) টি জেনারেটর চালু অবস্থায় পরিলক্ষিত হয়। আরএমএস রুম তালা বদ্ধ পাওয়া যায়। আরএমএস রুমের গেটের গ্রিলের বাহির হতে দেখা যায় যে, মিটারের ইনডেক্সের উপর কালো ট্যাপ আবৃত ম্যাগনেট সদৃশ্য একটি বস্তু স্থাপন করা আছে। যার মাধ্যমে মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে স্বাভাবিক গ্যাস মিটারিং এ বাধা সৃষ্টি করে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করেছেন। আরএমএস রুমের চাবি সরবরাহের জন্য বারংবার উপস্থিত দারোয়ান/গ্রাহক প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা সত্তেও তারা চাবি সরবরাহ না করে কালক্ষেপন করতে থাকে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে টিমের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ‘৯৯৯’ এবং সংশ্লিষ্ট থানায় কল করে পুলিশ প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। সকাল ৮.৪০ এর দিকে শ্রমিকদের জড়ো মব সৃষ্টি করে মারমুখী হয়ে ধাক্কাধাক্কা করে টিমকে গেটের বাইরের বের করে গেট বন্ধ করে দেয়। সংশ্লিস্ট কদমতলী থানার পুলিশ সকাল ০৮.৫০ গ্রাহক আংগিনা পৌঁছে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করলেও গেট না খোলায় পুলিশ ও গেটের ভিতর প্রবেশ করতে পারেনি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় গেটের বাইরে ভাল্বপিটের ভাল্ব বন্ধ করা হয়। ভালভে প্লাস্টিক সীল করার আংটা না থাকায় স্বাক্ষরযুক্ত কাগজের সীল স্থাপন করা হয়।
এতদবিষয়ে সংশ্লিষ্ট জোন কর্তৃক সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারন ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
অদ্য ১০-০৫-২০২৬ তারিখে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সংশ্লিষ্ট জোন কর্তৃক অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের কারণে গ্রাহকের গ্যাস সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।