ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আনহুয়ি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শেয়ার করুন


প্রেস বিজ্ঞপ্তি 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের আনহুয়ি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের  (Anhui Normal University) মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক  (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ ৬ মে ২০২৬, বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং আনহুয়ি নরমাল ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. শিয়ং ইউজিয়ে  (Prof. Dr. Xiong Yujie) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদ, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াং হুই, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সেমিনার আয়োজন, শিক্ষক ও গবেষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণাগার বা গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে রসায়ন, উপকরণ বিজ্ঞান, পরিবেশ ও প্রতিবেশ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং ন্যানো প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে যৌথ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এছাড়া মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষা ক্ষেত্রেও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা হবে। চীনা ভাষা ও সাহিত্য, ইতিহাস এবং দর্শন বিষয়ে যৌথ গবেষণা, সেমিনার, স্বল্পমেয়াদি কোর্স এবং একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

সমঝোতা স্মারকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা বিনিময় কর্মসূচির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও গবেষণা কার্যক্রমের সুযোগ তৈরি হবে।

স্বাক্ষরের তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ (৫) বছর পর্যন্ত এই সমঝোতা স্মারক কার্যকর থাকবে, যা পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য।

সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে, আনহুয়ি নরমাল ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কো-অপারেশন বিভাগের পরিচালক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে চীন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী দেশ। শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষক বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে এই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করা সম্ভব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *